VHF ও UHF তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়
-
ক
রাডারে
-
খ
অ্যামপ্লিফায়ারে
-
গ
টেলিভিশনে
-
ঘ
বেতার যন্ত্রে
বেতার বর্ণালী
৩ কিলোহার্জ থেকে ৩০০ গিগাহার্জ পর্যন্ত ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বা বিদ্যুত - চৌম্বকীয় বর্ণালীকে রেডিও বর্ণালী বা বেতার বর্ণালী বলে। এই সীমার মধ্যবর্তী তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গকে রেডিও ওয়েভ (বেতার তরঙ্গ) বলা হয় যার প্রচুর ব্যবহার রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায়। একাধিক ব্যবহারকারীর মধ্যে অনধিকার প্রবেশ ঠেকাতে বেতার তরঙ্গ উৎপন্ন এবং বিকিরণে আইনগত বিধিনিষেধ রয়েছে যা একটি বিশ্বজনীন সংগঠন দ্বারা সমন্বিত হয় যার নাম আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন বা আইটিইউ।
বেতার বর্ণালীর বিভিন্ন অংশ আইটিইউ থেকে বিভিন্ন সীমায় ভিন্ন ভিন্ন বেতার নির্গমন পদ্ধতিতে একাধিক কারণে ও প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহৃত হয়। আইটিইউ এর রেডিও রেগুলেশনে বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থার ৪০ রকম ব্যবহারের কথা বলা আছে। ক্ষেত্রবিশেষে বেতার বর্ণালীর একটি নির্দিষ্ট অংশ ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দেওয়া বা বিক্রি করা যেতে পারে (যেমন: মোবাইল ফোন অপারেটর কিংবা ব্রডকাস্ট টেলিভিশন স্টেশন)। যার যার নামে সংরক্ষিত বেতার বর্ণালী প্রায়ই তার তার প্রদেয় সেবার নামে ডাকা হয়ে থাকে (যেমন: সেলুলার স্পেকট্রাম কিংবা টেলিভিশন স্পেকট্রাম)।
শব্দ
পদার্থবিজ্ঞানে শব্দ হলো একধরনের কম্পন যা গ্যাস, তরল বা কঠিন মাধ্যমের সাহায্যে শব্দ তরঙ্গ হিসাবে সঞ্চালিত হয়।মানব শারীরতত্ত্ব এবং মনোবিজ্ঞানে শব্দ হলো একধরনের তরঙ্গের শ্রবণ এবং মস্তিষ্ক কর্তৃক এগুলো উপলব্ধি করা। যেসকল শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ Hz থেকে ২০ kHz কম্পাঙ্ক সীমার মধ্যে অবস্থিত, কেবল সেই শব্দই মানুষের মধ্যে শ্রবণ অনুভূতি প্রকাশ করে। সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ও বায়ু মাধ্যমে এই শব্দের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১৭ মিটার (৫৬ ফু) থেকে ১.৭ সেন্টিমিটার (০.৬৭ ইঞ্চি)। ২০ k Hz উপরের শব্দ তরঙ্গগুলি আল্ট্রাসাউন্ড বা শ্রবণাতীত শব্দ হিসাবে পরিচিত এবং এগুলো মানুষের কাছে শ্রবণীয় নয়। ২০ Hz নিচে শব্দ তরঙ্গগুলি ইনফ্রাসাউন্ড বা অবশ্রাব্য শব্দ হিসাবে পরিচিত। বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণির শ্রবণসীমা বিভিন্ন হয়ে থাকে
তরঙ্গ হচ্ছে - যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন বা আলোড়নের সঞ্চালনের ফলে শক্তি এক স্থান থেকে আরেক স্থানে স্থানান্তরিত হয়। কিছু তরঙ্গ আছে যেগুলি সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন। আবার কিছু তরঙ্গ আছে যেগুলি সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়না। এমনি দুইটি উদাহরণ হচ্ছে - শব্দ ও সূর্য থেকে পৃথিবীতে আসা শক্তি। শব্দ চলাচলের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হলেও সূর্য থেকে যে শক্তি পৃথিবীতে আসে তা মাধ্যম ছাড়াই সঞ্চালিত হতে পারে। কেননা সূর্য থেকে পৃথিবীতে আসার সময় এই শক্তিকে এক বিশাল মাধ্যমহীন পথ অতিক্রম করে আসতে হয়।
Related Question
View Allতরঙ্গদৈর্ঘ্য তুলনামূলক বেশি কোন আলোর?
-
ক
কমলা
-
খ
সবুজ
-
গ
নীল
-
ঘ
হলুদ
শব্দের তীক্ষ্ণতা মাপা হয় কি দিয়ে?
-
ক
ডেসিবল
-
খ
অ্যাম্পিয়ার
-
গ
ক্যালরি
-
ঘ
জুল
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
-
ক
শূন্যতা
-
খ
লোহা
-
গ
পানি
-
ঘ
বাতাস
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি বেশি?
-
ক
বাতাসে
-
খ
পানিতে
-
গ
লোহায়
-
ঘ
শূন্যতায়
তরঙ্গের বেলায় কোনটি সত্য?
-
ক
তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ আলোর বেগে গমন করে
-
খ
শব্দতরঙ্গ একধরনের তড়িৎ চৌম্বকতরঙ্গ
-
গ
সকল তরঙ্গেই প্রতিফলন-প্রতিসরণ হয় না
-
ঘ
তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অনুপাত
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ব্যবহৃত শব্দের কম্পাঙ্ক কত?
-
ক
০.০১-০১ মেগাহার্জ
-
খ
০১-১০ মেগাহার্জ
-
গ
১০-২০ মেগাহার্জ
-
ঘ
২০-৩০ মেগাহার্জ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!